সমালোচনা
বন্ধুবর জাকির মাহদিন তার ‘চায়ের কাপে সুখটান’ লেখাটির সমালোচনা চেয়েছেন। তারমত প্রতিষ্ঠিত লেখকের সমালোচনা করার বদ-অভ্যাস আমার নেই। বন্ধুত্বের সম্পর্কটা বোধ হয় অভ্যাস-বদ-অভ্যাসের ঊর্ধ্বে। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও লিখতে হল। সমালোচনা না চেয়ে বরং আলোচনা চাইলে কাজটা আমার জন্য সহজ ছিল। ‘এতে না পেট ভরে, না স্বাদ লাগে’ বাক্যে যদিও ধুমপানের অসারতা তুলে ধরে এতে নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু পরক্ষণে চকোলেট, কলা, কলার বাকল পদ্ধতি এবং এডভেঞ্চার, আবিষ্কার-অভিযান, দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে তরুণ নব্য ধুমপায়ী তৈরির কাজটা সাহিত্যের বিচারে মন্দ বলেই মনে হয়। ‘কখনো-সখনো’ ব্যাকরণের ভুলটা হয়তো বা লেখকের নয়। ‘দেখে আমার খুব ঘেন্না হত।’ শেষে নিজের নেশাটা প্রকাশের জন্য শুরুতে নেতিবাচকতা; কাঠামোটা সুন্দর। তবে ‘ঘেন্না’ শব্দটা ‘চা-খোর’ পাঠককে আঘাত করতে পারে। সামান্য আঘাত সচেতনভাবেও করা হয়ে থাকতে পারে। পরের বাক্যে ‘ছাগল কোথাকার’ পরপর দু’টি আঘাত পাঠক অশ্রদ্ধার শামিল। সাহিত্যের জন্য মদ-গাঁজা বিকল্পে চা-কফি দাবিটা আপেক্ষিক। সামগ্রিক হিসেবে তুলে ধরাটা চিন্তার দৈন্যতায় পড়ে বুঝি? ১৮০ রোগ। দুধের ক্ষতি। ম...