পোস্টগুলি

কল্যাণ প্রসবিণী

কল্যাণ প্রসবিণী যে মুসলমানের কোমর ভেঙ্গে দিয়েছে গুনাহ (অর্থাৎ নেক আমলের ইচ্ছা করা সত্ত্বেও কেন জানি করা সম্ভব হয় না) দুরুদ শরীফ তার জন্যে মাগফিরাতের পুরস্কার। যে মাখলুকের দরজায় দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য ছুটে আশাহত, দুরুদ শরীফ তার জন্য আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য হাসিলের উপায়। যে বিপদ-আপদ, বালা-মসিবতের জালে আবদ্ধ দুরুদ শরীফ তার জন্য নিষ্কৃতির আধার। যে ব্যর্থতার সমুদ্রে নিমজ্জিত দুরুদ শরীফ তার জন্য সফলতার পাহাড়ে আরোহণের অবলম্বন। যে বার বার বিফল মনোরথ দুরুদ শরীফ তার জন্য কামিয়াবির চাবি। যে পরাজিত হয়ে গিয়েছে দুরুদ শরীফ তার জন্য বিজয়ের সমাচার। যে নাপাকীর ভাগাড়ে পতিত দুরুদ শরীফ তার জন্য পবিত্র বারি-বর্ষক। দুরুদ শরীফ বিরাট বিশাল মহান নেয়ামত। এতে একই সাথে রয়েছে আল্লাহর জিকির এবং আকায়ে মাদানী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহানত্বের ঘোষণা। ওহে মুসলমান! সালাত ও সালাম বুঝতে শিখ। আপন করে নাও। আমলে লেগে যাও।  

আকাশের চাবি

আকাশের চাবি     لا إله إلا الله محمد رسول الله এই মহান নেয়ামতের ওপর আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করছি । সূক্ষ্ম তথ্য : হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভাগমনের পর আকাশমণ্ডলীর নীতিমালায় পরিবর্তন সাধিত হয় । শয়তানদের জন্য স্থাপিত হয় পাহারাচৌকি । আকাশের দরজাসমূহে নতুন কোড বসানো হয় । এখন আকাশের উপর শুধু ঐ আমলই যেতে পারে যার সাথে لا إله إلا الله   শুধু নয় محمد رسول الله ও থাকে । আকাশের উপর ঐ মানবাত্মাই যেতে পারে যে অন্তর লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর সাথে সাথে মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহর ঈমানও রাখে । চির হতভাগা : যে ব্যক্তি মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহর ওপর ঈমান আনবে না , তার কোন আমল কবুল হওয়ার জন্য উপরে উঠতে পারবে না । তার রূহও উপরে উঠতে পারবে না । সে ও তার আমল সবই নিচের কয়েদখানা সিজ্জিনে যাবে । যদিও সে বিলিয়ন ডলার দান করে । শুরু শেষের অলংকার : এজন্যই প্রতিটি দোয়ার শুরু শেষে দুরুদ শরীফ পড়া হয় । এই দুরুদ শরীফ আকাশের দরজা খোলায় । একটি দলীল : মেরাজের ...

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে অসংখ্য অগণিত রহমত ও সালাম বর্ষিত হোক হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর । যাকে দীনের জন্য অনেক নির্যাতন - নিপীড়ন করা হয়েছে... তাঁর ওপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । যিনি এতিম অবস্থায় বড় হয়েছেন ... তাঁর ওপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । যাকে পাথরের আঘাতে আঘাতে রক্তাক্ত করা হয়েছে ... তাঁর ওপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । যাকে বিভিন্ন প্রকারে কষ্টের পর কষ্ট দেওয়া হয়েছে ... তাঁর ওপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। যিনি তিন বছর একটি ঘাঁটিতে ( শি ‘ আবে আবু তালেব ) বন্দি ছিলেন ... তাঁর ওপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। যাকে গ্রেফতার , দেশান্তর ও শহীদ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছিল সর্বদা ... তাঁর ওপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। যাকে ছয় মাইল পর্যন্ত পাথর ছুঁড়তে ছুঁড়তে দৌড়ে তাড়া করা হয়েছে এবং দেহ মোবারক থেকে প্রবহিত রক্ত জুতা মোবারকে গিয়ে জমাট বেঁধেছে ... তাঁর ওপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাল্লাম। যাকে নিজ গৃহ ও প্রিয় মাতৃভূমি ফেলে হিজরতে বাধ্য করা হয়েছে ... ত...

তুমিও অংশগ্রহণ কর

  তুমিও অংশগ্রহণ কর إن الله وملائكته يصلون على النبيّ يا أيها الذين آمنوا صلوا عليه وسلمّوا تسليما “নিশ্চয়ই ‍ আল্লাহ ও তাঁর   ফেরেশতাগণ নবীর ওপর দুরুদ পাঠায় । হে ঈমানদারগণ তোমরাও তাঁর ওপর দুরুদ ও সালাম পাঠাও ।” [ সুরা আহযাব : ৫৬ ] “যেমনিভাবে আল্লাহ তায়ালার রহমত এবং মালাইকাদের ( ফেরেশতাগণ ) ইস্তেগফার হুজুরে আনওয়ার সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হয় ; তেমনিভবে তোমরাও তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে রহমতের দোয়া করতে থাকো এবং সালাম পাঠাতে থাকো । ( অর্থাৎ এটিও হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক প্রকার নুসরাত - সহযোগিতা ।” [ উপর্যুক্ত তরজমা ও তাফসিরটি হজরত মাওলানা আহমদ আলী লাহোরী রহ .- এর তাফসিরাতে আহমাদিয়াহ থেকে উদ্ধৃত ।] ফায়েদা : দুরুদ শরীফে এই দোয়াও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে , “ আল্লাহ তায়ালা হুজুর আকদাস সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের সংখ্যা বৃদ্ধি করুন । অধিক থেকে আরো অধিক ইনসানকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দীন গ্রহণের তাওফ...

একটি বিশ্লেষণ

একটি বিশ্লেষণ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাকে এবং আপনাদের সবাইকে দুরুদ শরীফ পাঠের আগ্রহ দান করুন। হজরত আকা মুহাম্মদ মাদানী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রকৃত ভালোবাসা দান করুন। হজরত উবাই ইবনে কা ' ব রাদি. বর্ণিত হাদিছে ইরশাদ , “ যে মুসলমান তার পূর্ণ দুরুদ হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য নির্ধারিত কর বে আল্লাহ তায়ালা তাকে ক্ষমা করে দিবেন এবং তার সকল দুশ্চিন্তা দূর করে দিবেন।” এই হাদিসের এক অর্থ হল — আমরা নিজেদের দুনিয়া ও আখেরাতের সফলতা ও উন্নতির জন্য অধিক দুরুদ শরীফ পাঠের অভ্যাস করে নিব। দুরুদ শরীফ থেকে কখনো গাফেল হব না। তবে দুরুদ শরীফের পাশাপাশি কুরআনুল কারীমের তেলোওয়াত , কালিমায়ে তাইয়্যেবাহ , তাসবীহ , বিশেষভাবে মাসনুন দোয়াসমূহ , এবং কোন শায়েখের হাতে বাইয়াত হয়ে থাকলে শায়েখের দেয়া অজিফা গুরুত্বের সাথে আদায় করতে হবে। তবে যদি কারো দুরুদ শরীফের প্রতি অধিক আগ্রহ-আন্তরিক ভালোবাসা-স্বভাবজাত প্রেরণা-দুরুদবিহীন সময় কাটাতে অজানা অস্থিরতা এই পর্যায় হাসিল হয়ে যায় , ভনিতা নয় ; প্রকৃত অবস্থাই এমন হয় তখন অন্য সব নফল অজিফার স্থলেও দুরুদ শরীফ পাঠ করবে। যে কোন প...