পোস্টগুলি

উত্তম দুরুদ

  উত্তম দুরুদ তাফসিরে রুহুল মাআনীতে হজরত শায়েখ আল্লামা আলুসী রহ . বাক্য হিসেবে সর্বোত্তম দুরুদ কোনটি এ বিষয়ে বিস্তর আলোচনা করেছেন । আলোচনাটি পাঠে অনুসন্ধিৎসা আরো বেড়ে যায় । এবিষয়ে গ্রহণযোগ্য অন্যান্যদের লেখাও পড়তে শুরু করি । সর্বোত্তম দুরুদ শরীফ কোনটি সে ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত তো মনে মনে হয়ে যায় ঠিকই কিন্তু পিপাসা তো মিটে না ; শুধু বাড়তেই থাকে । সালাতের বিষয়টিই এরূপ যে নিবারণের পরিবর্তে পিপাসা বাড়তেই থাকে । হজরত আকায়ে মাদানী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে ইহসান - অনুগ্রহ - দয়া - অনুকম্পা আমাদের ওপর রয়েছে তা যদি কিছুটাও উপলব্ধি করতাম তাহলে বুঝতাম যে - প্রতিটি নিঃশ্বাসে দুরুদ শরীফ পাঠ করলেও কৃতজ্ঞতা স্বীকারের হক আদায় হবে না । সর্বোত্তম দুরুদ শরীফ বিষয়ে একাধিক মত রয়েছে । নিচে যে দুরুদ শরীফগুলো উত্তম হওয়ার ব্যাপারে আহলে ইলমগণ মত প্রকাশ করেছেন সেগুলো উল্লেখ করছি ।   اَللّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَ عَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى اِبْرَاهِيْمَ وَ عَ...

সালাত ও সালাম একাত্মবাদেরই প্রকাশ

সালাত ও সালাম একাত্মবাদেরই প্রকাশ আল্লাহ তায়ালার নিকট “ সালাত ও সালাম ”- এর মর্যাদা কত বেশি , এর একটি অনুমান নামাজ দ্বারাও করা যায় । নামাজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত । সর্ব্বোচ্চ জরুরি ফরজ । ঈমানের সর্বপ্রথম ও প্রধান নিদর্শন । স্বেচ্ছায় জ্ঞাতসারে এক ওয়াক্ত নামাজ ছেড়ে দেওয়া কুফরের আলামত । নামাজ আল্লাহ তায়ালার একাত্মবাদকে প্রকাশ করে । ইবাদত শুধু এক আল্লাহর জন্য । সেজদা শুধু এক আল্লাহর জন্য । এবার একটু চিন্তা করুন ! নামাজের যে পদ্ধতি আল্লাহ তায়ালা তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শিখিয়েছেন এবং তাঁর মাধ্যমে উম্মতকে শিক্ষা দিয়েছেন , ঐ নামাজের ঊর্ধ্বজগতে আরোহণ ও সমাপ্তি হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি সালাম প্রেরণ এবং দুরুদ পাঠের মাধ্যমে হয় । নামাজে তাশাহুদ পড়া ওয়াজিব আর তাশাহুদের মধ্যে সালাম অন্তর্ভুক্ত । السلام عليك ايها النبي و رحمة الله و بركاته নামাজের শেষে রয়েছে দুরুদ শরীফ । ওলামায়ে কেরামের একদলের নিকট যা সুন্নতে মুয়াক্কাদা অপর দলের নিকট ওয়াজিব...

আসসালামু আলাইকা আইউহান নাবীয়্যু

আসসালামু আলাইকা আইউহান নাবীয়্যু আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দীনের বুঝ দান করুন । একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বুঝে নিন । আমরা বলি , السلام عليك ايها النبي و رحمة الله و بركاته   শব্দ হিসেবে যার অর্থ হয় - “ আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে শান্তি ও নিরাপত্তা হোক আপনার ওপর হে নবী ! এবং আল্লাহ তায়ালার রহমত ও আল্লাহ তায়ালার বরকত আপনার ওপর নাজিল হোক । ” এই সালামে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে “ মধ্যম পুরুষ ” বাচক শব্দে সম্বোধন করা হয়েছে । যা সাধারণত সামনে উপস্থিত হওয়া একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় । কিন্তু মনে রাখতে হবে , রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে সাহাবায়ে কেরাম রাদি . কে এই সালাম শিখিয়েছেন । অথচ তিনি তো সবসময় তাদের সামনে থাকতেন না । হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জিহাদের সফরে মদীনার বাইরে তাশরিফ নিতেন সে সময় মদীনায় রয়ে যাওয়া সাহাবীগণ রাদি . ঐ শব্দ - ঐ বাক্যেই ( মধ্যম পুরুষ , সম্বোধনপদ ) সালাম পাঠ করতেন । আবার যখন সাহাবায়ে কেরামের কোন দল মদীনার বাইরে যেতে...